1. adm3ijmpg@example.com : adm3ijmpg :
  2. adm53gqu5@example.com : adm53gqu5 :
  3. admg4o2lv@example.com : admg4o2lv :
  4. admiztuem@example.com : admiztuem :
  5. dsdc.mostafiz@gmail.com : mostafiz rahman : mostafiz rahman
  6. info@www.media71bd.com : NEWS TV : NEWS TV
  7. info@www.media71bd.com : TV :
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন

আগামী মাসে বিদ্যুতের দাম বাড়ার সম্ভাবনা, জুন থেকে বাড়তি বিলের চাপ আসতে পারে গ্রাহকদের ওপর

ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

আগামী মাস থেকেই বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে। এ বিষয়ে চলতি সপ্তাহে গণশুনানি শেষ করে মে মাসের মধ্যেই নতুন দর নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন। নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে জুন মাস থেকে গ্রাহকদের বাড়তি বিল পরিশোধ করতে হবে।

এরই মধ্যে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। ফলে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগকে নতুন চাপ হিসেবে দেখছেন নিম্নআয়ের ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষজন। অর্থনীতিবিদদের মতে, এর প্রভাব শুধু জনজীবনেই নয়, সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে পারে।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পেছনে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। এর প্রভাব ইতোমধ্যে দেশের গণপরিবহন ও নিত্যপণ্য পরিবহন ব্যয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে বোতলজাত তরলীকৃত গ্যাসের দামও।

এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলো প্রায় ২৯ শতাংশ পর্যন্ত দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাব যাচাই-বাছাইয়ের অংশ হিসেবে বুধবার ও বৃহস্পতিবার গণশুনানির আয়োজন করছে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন।

কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং এর অধীন সঞ্চালন ও বিতরণ কোম্পানিগুলো পাইকারি, খুচরা ও সঞ্চালন ব্যয় বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে। গণশুনানির পর মতামত বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত নতুন দর নির্ধারণ করা হবে।

সাধারণ মানুষ বলছেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলেও বিল বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আয় না বাড়লেও নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়লে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে বলে তাদের আশঙ্কা।

সরকারের হিসাবে, গত অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ২ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয়েছে। দাম সমন্বয় না করা হলে ২০২৬ সালে এই ঘাটতি ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অর্থনীতিবিদ তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হবে। এর প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ বিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সামগ্রিকভাবে বাজারে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

সরকারের প্রস্তাব অনুযায়ী, ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য কম দামের বিশেষ সুবিধা রাখা হতে পারে। আগে এই সীমা ৫০ ইউনিট ছিল, পরে তা ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। নতুন প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে ৭৫ ইউনিটের বেশি ব্যবহারকারীরা আর কম দামের সুবিধা পাবেন না, ফলে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর ওপর অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ পড়তে পারে।

More News Of This Category

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!