1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন

তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপরে, নীলফামারীতে পানিবন্দি সাড়ে ৫ হাজার পরিবার

রফিকুল ইসলাম রফিক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

নীলফামারীতে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। এতে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত সাড়ে ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকাল ৩টায় তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ওই পয়েন্টে বিপদসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার এবং পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৬ মিটার। এর আগে সকাল ৬টায় পানি বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার, সকাল ৯টায় ১০ সেন্টিমিটার এবং দুপুর ১২টায় ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের গেজ পাঠক নুরুল ইসলাম জানান, সোমবার থেকে উজানের ঢলের কারণে তিস্তার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে নদী তীরবর্তী বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান বলেন, সোমবার রাত থেকেই পানি বাড়তে থাকায় অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে উঁচু স্থানে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে। ইউনিয়নের চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের প্রায় এক হাজার পরিবার পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানান তিনি।

টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন জানান, ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশাচাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ি ও খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের অন্তত সাতটি গ্রামের প্রায় সাড়ে ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই ইতোমধ্যে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।

এদিকে জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ি ও শৌলমারী ইউনিয়নের শত শত পরিবারও বন্যাকবলিত হয়েছে। তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলের সড়ক, কৃষিজমি, শাকসবজির ক্ষেত এবং মাছের ঘের ও পুকুর তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ ক্রমেই বাড়ছে।

ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, ভারত থেকে নেমে আসা উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সোমবার সন্ধ্যা থেকেই তিস্তার পানি দ্রুত বাড়তে থাকে। বর্তমানে পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত বন্যার পানিতে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page