1. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  2. info@www.media71bd.com : Media 71 :
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ন

৩৪ ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

এম রহমান, বরগুনা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬

বরগুনার পায়রা নদীতে পড়ে নিখোঁজের প্রায় ৩৪ ঘণ্টা পর রাবেয়া আক্তার জুঁই (১৫) নামে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৬টার দিকে তালতলী উপজেলার সাগর মোহনা তেতুলবাড়িয়ার চর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহ্ আজিজ।

এর আগে রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ৯ নম্বর এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের লতাকাটা খেয়াঘাট এলাকায় পায়রা নদীর পাড়ে গিয়ে নিখোঁজ হয় জুঁই।

জানা যায়, জুঁই তার মা তাসলিমা বেগম ও বান্ধবী মরিয়াম ইসলাম রিয়ার সঙ্গে ঢাকার মিরপুর থেকে বরগুনায় বেড়াতে এসেছিল। বরগুনায় পৌঁছে তারা পায়রা নদীর পাড়ে যায়। একপর্যায়ে দুই বান্ধবী পানিতে পড়ে গেলে রিয়া সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও সাঁতার না জানা জুঁই স্রোতের টানে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়।

খবর পেয়ে রোববার থেকেই ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ নদীতে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় ৩৪ ঘণ্টা পর সোমবার বিকেলে তেতুলবাড়িয়ার চরে জুঁইয়ের মরদেহ ভেসে ওঠে। পরে উদ্ধারকারী দল মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত জুঁই রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা জনি চৌধুরীর মেয়ে। তাদের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার নরহা গ্রামে।

জুঁইয়ের মা তাসলিমা বেগম জানান, ঢাকার মিরপুরে তাদের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে জীবন মাহমুদ মাহফুজ ভাড়া থাকেন। তার গ্রামের বাড়ি বরগুনায় হওয়ায় তার সূত্রেই মেয়ে ও মেয়ের বান্ধবীকে নিয়ে তারা বরগুনায় বেড়াতে এসেছিলেন।

জীবন মাহমুদ মাহফুজ বলেন, নদীর পাড়ে যাওয়ার আগে জুঁই ও তার বান্ধবীকে সেখানে যেতে নিষেধ করা হয়েছিল। তারা সাঁতার জানত না। এরপরও নদীর পাড়ে যাওয়ার পর এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page