1. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  2. info@www.media71bd.com : Media 71 :
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যার রায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৫ মার্চ রাতে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছর বয়সী শিশু আছিয়া। মামলার প্রধান আসামি ও শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখ তার ওপর ধর্ষণ চালানোর পাশাপাশি হত্যার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করে।

২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

রায়ে মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। তারা হলেন—নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীবের ছোট ভাই রাতুল শেখ এবং সজীবের মা জাহেদা বেগম।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কোনো বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ড দিলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার নথিপত্র উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। সে অনুযায়ী এ মামলার নথি ২০২৫ সালের ২১ মে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

পরবর্তীতে নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুক তৈরির জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। পেপারবুক প্রস্তুত হওয়ার পর গত ৮ জুন তা হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর মামলাটি শুনানির জন্য বিশেষায়িত বেঞ্চের কার্যতালিকায় আসে।

শুনানি শেষে সোমবার হাইকোর্ট হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page