1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ে অসংগতি ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ আজ খোলা থাকছে সকল ব্যাংক মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না ঢাকা ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে ৫০০ গ্রামবাসীর মানববন্ধন

‘শাপলা চত্বরের অনেক মরদেহ গুমের চেষ্টা হয়েছিল’— দাবি মামুনুল হকের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক দাবি করেছেন, ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে নিহত অনেকের মরদেহ গুমের চেষ্টা করা হয়েছিল। তার ভাষ্য, এ কারণে বহু নিহত ব্যক্তির কোনো সন্ধান আজও মেলেনি।

রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। শাপলা চত্বরের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে হেফাজতে ইসলামের একটি প্রতিনিধিদল ট্রাইব্যুনালে যায়।

মামুনুল হক বলেন, তদন্তে যাদের নিহত হওয়ার তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে, তাদের সংখ্যাই প্রতিবেদনে এসেছে। তবে শুরু থেকেই তাদের দাবি, আরও অনেক নিহত ব্যক্তির মরদেহ পাওয়া যায়নি।

তার অভিযোগ, তৎকালীন সময়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে শাপলা চত্বরের নিহতদের মরদেহ গুমের চেষ্টা করা হয়েছিল। ফলে বহু মানুষের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, শাপলা চত্বরের ওই সমাবেশে শিক্ষার্থী, শ্রমিকসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়া তৎকালীন বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে তার দাবি।

তদন্তের খসড়া প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে চাইলে মামুনুল হক বলেন, তারা এখনও পুরো প্রতিবেদন বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করেননি। প্রাথমিকভাবে কিছু বিষয় সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে বলে তাদের মনে হয়েছে। সেগুলো পর্যালোচনা শেষে আগামী দু-এক দিনের মধ্যে প্রসিকিউশনের কাছে তুলে ধরা হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলাটি এখনও তদন্তাধীন এবং তদন্ত প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে দাখিল হয়নি। তাই এ পর্যায়ে সব বিষয় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে তাদের অভিযোগের সঙ্গে খসড়া প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু অনেকাংশে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।

দ্রষ্টব্য: প্রতিবেদনে উল্লেখিত গুমের অভিযোগ ও অন্যান্য বক্তব্য আল্লামা মামুনুল হকের দাবি। এসব বিষয়ে বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগ আদালতে এখনও প্রমাণিত হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page