1. dsdc.mostafiz@gmail.com : mrahman :
  2. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  3. info@www.media71bd.com : Media 71 :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষঃ
‘ফাদার অব অল বোমস’ উন্মোচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ বেড়েছে দেড় গুণ পিএইচপির গুরুতর নিরাপত্তাত্রুটি, ঝুঁকি এড়াতে বন্ধ হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন ওয়েবসাইট সাজেক ভ্যালি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা, পর্যটকদের বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার মধ্যে ছাড়ার নির্দেশ রাজধানীর ৩৩ স্থানে প্রতিমা বিসর্জন, নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ নজরদারি অস্ট্রেলিয়ায় গাড়িচাপায় গুরুতর আহত হেলেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তিন অভিযোগ ১ নভেম্বর থেকে পিঠা-পুড়ি, পেঁয়াজু ও ফলের রসের দোকানেও নিবন্ধন বাধ্যতামূলক কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ৩ সেনবাগ উপজেলা প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত, সভাপতি নিজাম ও সাধারণ সম্পাদক আলো বিসর্জনের বিষাদে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা, মণ্ডপে মণ্ডপে সিঁদুর খেলা সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির সাজার তথ্য ছিল না বন্দি তালিকায়

হামলা, মামলা ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন বিএনপি নেতা দুলাল

মোঃ আব্দুল মোতালেব, নোয়াখালী প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৭ নম্বর মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের বিএনপি নেতা মোঃ মাহমুদুল হক (দুলাল)। একসময় রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা এই নেতার জীবনে রাজনৈতিক প্রতিকূলতার স্মৃতি এখনো বয়ে বেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। হামলা, একাধিক মামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাটের অভিযোগ তুলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের কথা জানিয়েছেন তিনি। এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নেতা।

স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে একসময় সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী দুলাল ৭ নম্বর মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন বলে জানা গেছে। দলীয় কর্মকাণ্ড, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি এলাকায় পরিচিতি লাভ করেন। তবে তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের রোষানলে পড়ে তাঁকে নানা ধরনের হয়রানি ও নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

বাড়িঘর ভাঙচুর ও মালামাল লুটের অভিযোগ
মোঃ মাহমুদুল হক (দুলালের) অভিযোগ, তৎকালীন সময়ে ৭ নম্বর মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেন এবং ঘরের বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যান। রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তখন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা বা আইনি প্রতিকার চাইতে পারেননি বলেও তিনি দাবি করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার পরও তিনি ন্যায়বিচার পাননি। উল্টো তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়, যেগুলোকে তিনি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট মামলার নথি, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।

দুলালের অভিযোগ, ২০১৪ সালে সেনবাগ থানায় মামলা নং- ০৯ তারিখ- ১৫/১২/২০১৪ইং জিআর ২২৭৬/২০১৪, দায়রা মামলা নং-২০০/২০১৫, মাদক আইনের ১৯৯০ এর ১৯(১) এর ৯(খ) ধারার মামলাসহ তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলাকে তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে চাপ ও হয়রানির মধ্যে থাকতে হয়েছে।

তবে মামলাগুলোর সুনির্দিষ্ট সংখ্যা, এজাহার, অভিযোগপত্র, আদালতের আদেশ এবং মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে। অভিযোগের পাশাপাশি আইনগত নথি যাচাই করা হলে প্রকৃত ঘটনা ও মামলাগুলোর পটভূমি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য চিত্র পাওয়া যাবে।

সময় বদলালেও প্রতিকার মেলেনি—দুলালের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটলেও তাঁর বাড়িঘর ভাঙচুর, মালামাল লুটপাট এবং কথিত মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এখনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁর দাবি, অভিযুক্ত কয়েকজন ব্যক্তি এখনো এলাকায় স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, পুলিশের তদন্তের তথ্য এবং প্রশাসনের পদক্ষেপ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ থাকলেই তাঁকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না; অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করতে হবে যথাযথ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

ভাঙা ঘর যেন পুরোনো ক্ষতের প্রতীক
ভাঙাচোরা ঘরের ছবি দুলালের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে তাঁর পারিবারিক দুর্ভোগ ও রাজনৈতিক সংঘাতের স্মারক হিসেবে সামনে
ছবির পেছনের বাস্তব ঘটনা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং ঘটনার সময়কার পরিস্থিতি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া গেলে সেটি সংবাদটির গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য উপাদান হতে পারে। শুধু ছবির ভিত্তিতে ভাঙচুরের জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে দায়ী করা সমীচীন নয়।

সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি
রাজনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক, কোনো নাগরিক হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট কিংবা মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে থাকলে তাঁর আইনি প্রতিকার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। একইভাবে অভিযোগে যাঁদের নাম আসবে, তাঁদের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ এবং নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করাও জরুরি।

মোঃ মাহমুদুল হক (দুলালের) অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা, প্রশাসন, মামলার নথি এবং অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে তুলে ধরা প্রয়োজন। তাঁর অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠতে পারে।

নিউ সাউথ ওয়েলস অষ্ট্রেলিয়া বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হক দুলাল বলেন প্রশাসন বিচার ব্যবস্থা ও সুশাসনে থাকলে মানুষের জান মাল রক্ষা পাবে এবং কি সরকার এবং রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি দেশের জনগণের আস্তাও ভালোবাসা থাকবে।

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিরোধ, হামলা-মামলার অভিযোগ এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘরের বাস্তবতা—সবকিছুর নিরপেক্ষ অনুসন্ধানই পারে ঘটনার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে। ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সত্য উদ্‌ঘাটন, ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই হওয়া উচিত সংশ্লিষ্ট সবার লক্ষ্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page