1. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  2. info@www.media71bd.com : Media 71 :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন

পানিতে নেমে খাল পরিষ্কার করলেন এমপি

পাটোয়ারী, ময়মনসিংহ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে পানিতে নেমে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার করেছেন ময়মনসিংহ-২ আসনের ১১-দলীয় জোটের সংসদ সদস্য মুহাম্মদুল্লাহ। তাঁর সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন এলাকার শতাধিক মানুষ।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপজেলার কাকনী ইউনিয়নের পঙ্গুয়াই খালে এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়। সংসদ সদস্যকে নিজে পানিতে নেমে কচুরিপানা পরিষ্কার করতে দেখে স্থানীয়রাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশ নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাকনী ইউনিয়নের ডিমুর বিল থেকে পঙ্গুয়াই খাল হয়ে পানি কাকনী খালে প্রবাহিত হয়ে দিয়ারা নদীতে গিয়ে পড়ত। তবে কাকনী খালের সম্মুখভাগের কিছু জমি নিজেদের দাবি করে স্থানীয় কয়েকজন পানি চলাচলের পথ আটকে দেওয়ায় প্রায় সাত-আট বছর ধরে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বন্ধ রয়েছে।

এতে পঙ্গুয়াই খালসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক কচুরিপানা জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পানিনিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় দুয়াই, বরুয়াই, তিলাটিয়া, পারতলা, দন্তা, তিতপুর, সুতিয়াপয়ারী, মাটিচাপুর ও কাকনী—এই নয় গ্রামের প্রায় দুই হাজার পরিবার জলাবদ্ধতার ভোগান্তিতে পড়েছে। পানিতে তলিয়ে রয়েছে ফসলি জমি ও বাড়িঘর।

পঙ্গুয়াই গ্রামের বাসিন্দা এনামুল হক বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে শত শত একর ফসলি জমি দীর্ঘদিন পানির নিচে থাকত। সংসদ সদস্য নিজে এসে কচুরিপানা পরিষ্কার করায় সংকটের সমাধানের আশা করছেন তারা। কচুরিপানা সরানোর পর আশপাশের পানি খালের দিকে নামতে শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।

একই গ্রামের মোশাররফ হোসেন বলেন, খালটি কাকনী ব্রিজ পর্যন্ত খনন করে পানিনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা গেলে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য বড় উপকার হবে। জলাবদ্ধতার বিষয়টি সংসদ সদস্যকে জানানো হলে তিনি পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। সেই আশ্বাসের অংশ হিসেবেই তিনি নিজে এসে খাল পরিষ্কারে এলাকাবাসীকে উৎসাহিত করেছেন।

সংসদ সদস্য মুহাম্মদুল্লাহ বলেন, একসময় দেশের কৃষি, মৎস্য ও গ্রামীণ অর্থনীতির অন্যতম প্রাণশক্তি ছিল খালগুলো। কিন্তু বেদখল, ভরাট ও কচুরিপানার স্তূপের কারণে অনেক খাল নাব্যতা হারিয়েছে।

তিনি বলেন, শুধু সরকারি অনুদানের ওপর নির্ভর না করে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে খালগুলো সচল করা গেলে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।

এ সময় গ্রামবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে খালের শেষ প্রান্তে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে সৃষ্ট বাধা অপসারণের উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেন সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে ওই জমি নিজে কিনে নিয়ে খালটি কাকনী ব্রিজ পর্যন্ত খনন করে কাকনী বিলের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে এলাকায় পানিনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page