1. adm3ijmpg@example.com : adm3ijmpg :
  2. admiztuem@example.com : admiztuem :
  3. info@www.media71bd.com : NEWS TV : NEWS TV
  4. info@www.media71bd.com : TV :
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন

পদোন্নতি জটিলতায় ফের উত্তাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, ১১ মে থেকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’

ওয়াহিদুল, বরিশাল রিপোর্টার
  • Update Time : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

পদোন্নতি ও নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতার সমাধান দাবিতে আবারও আন্দোলনে নেমেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়-এর শিক্ষকরা। সর্বশেষ সিন্ডিকেট সভায় দাবির বিষয়ে কার্যকর কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় আগামী ১১ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে শিক্ষক সমাজ। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শিক্ষক সমাজের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় চলমান সংকট সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে ৯ মে জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডাকা হলেও সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইন, নীতিমালা ও চর্চা অনুসারে সংকট নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষকদের।

তাদের দাবি, অধিকাংশ সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে ১০ মে অনুষ্ঠিত শিক্ষকদের সাধারণ সভায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১১ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম-কে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ওই দিন থেকে ক্লাস, পরীক্ষা এবং সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের পদত্যাগের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

এর আগে আন্দোলনের অংশ হিসেবে অনশন শুরু করেন মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষক ড. মো. জামাল উদ্দিন। অনশন চলাকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শিক্ষকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি জটিলতা ও প্রশাসনিক বৈষম্যের কারণে তারা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

এদিকে চলমান সংকটের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ড. তানভীর কায়সার পদত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাহাত হোসেন ফয়সাল-ও পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি হলেও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে এসব কার্যক্রম স্থবির রয়েছে।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০০ জনের বেশি শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ২১০ জন। ফলে অধিকাংশ বিভাগ ২ থেকে ৩ জন শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এবং একজন শিক্ষককে ১৪ থেকে ১৫টি কোর্সের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

দাবি আদায় না হলে প্রশাসনিক সব পদ থেকে পদত্যাগসহ আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষকরা।

More News Of This Category

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!