মাহমুদুল হাসান জয়ের দুর্দান্ত অর্ধশতক এবং বোলারদের সম্মিলিত নৈপুণ্যে মিরপুর টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে চালকের আসনে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। তবে দিনের শেষ বলে মুমিনুল হকের উইকেট হারিয়ে কিছুটা আক্ষেপ নিয়েই দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে স্বাগতিকরা।
দিনশেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১১০ রান। প্রথম ইনিংসের লিডসহ পাকিস্তানের চেয়ে ১৫৬ রানে এগিয়ে রয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
খেলা শেষ হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে খুররম শেহজাদের বাড়তি বাউন্স করা বলে ব্যাটের কানায় লেগে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন মুমিনুল হক। আউট হওয়ার আগে তিনি ৬০ বলে ৩০ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস খেলেন।
এর আগে ৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। অভিষিক্ত ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম মাত্র ৪ রান করে বিদায় নেন। এরপর মুমিনুলকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন মাহমুদুল হাসান জয়।
আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে মাত্র ৫৮ বলে ১০টি চারের সাহায্যে ৫২ রান করেন জয়। তবে ফিফটির পর মোহাম্মদ আব্বাসের বলে অতিরিক্ত শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফিরে যান তিনি।
এরপর অধিনায়ক শান্ত উইকেটে এসে মুমিনুলের সঙ্গে দিনের বাকি সময় পার করার চেষ্টা করেন। দিনশেষে তিনি অপরাজিত ছিলেন।
এর আগে বিনা উইকেটে ২১ রান নিয়ে দিন শুরু করা পাকিস্তান বাংলাদেশের বোলিং তোপে প্রথম ইনিংসে ২৩২ রানেই অলআউট হয়ে যায়। ফলে প্রথম ইনিংস থেকে ৪৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড পায় বাংলাদেশ।
সকালের সেশনেই জোড়া আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। তিনি ফেরান পাকিস্তানের দুই ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজল ও আজান আওয়াইসকে।
এরপর স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ শান মাসুদ ও সৌদ শাকিলকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে চাপে ফেলে দেন।
পঞ্চম উইকেটে বাবর আজম ও সালমান আলী আগা ৬৩ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩১তম ফিফটি তুলে নেওয়া বাবরকে ৬৮ রানে ফিরিয়ে দেন গতিতারকা নাহিদ রানা।
চা-বিরতির পর তাইজুল ইসলামর স্পিন ও নাহিদ রানার গতির মুখে দ্রুত গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের লোয়ার অর্ডার। বাংলাদেশের হয়ে নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম ৩টি করে উইকেট নেন। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ শিকার করেন ২টি করে উইকেট।
©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়