Israel-এর বিরুদ্ধে ইরাকের পশ্চিম মরুভূমিতে দীর্ঘদিন ধরে দুটি গোপন সামরিক ঘাঁটি পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। ইরাকি সামরিক কর্মকর্তাদের দাবি, এসব ঘাঁটি ব্যবহার করেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানো হয়েছিল।
ঘটনাটি প্রকাশের পর ইরাকের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
২০২৬ সালের ৩ মার্চ ইরাকের পশ্চিম মরুভূমিতে ২৯ বছর বয়সী আওয়াদ আল-শাম্মারি একটি গুলিবিদ্ধ ও অগ্নিদগ্ধ ট্রাকসহ পাওয়া যান। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, একটি হেলিকপ্টার তাকে ধাওয়া করে গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবার দাবি করে, আওয়াদ মরুভূমিতে একটি গোপন ঘাঁটির সন্ধান পান এবং বিষয়টি স্থানীয় সামরিক কর্তৃপক্ষকে জানানোর চেষ্টা করেছিলেন।
ইরাকি সূত্রের মতে, মরুভূমিতে একটি নয়, বরং দুটি গোপন সামরিক ঘাঁটি ছিল, যেগুলো বিমান সহায়তা, জ্বালানি সরবরাহ এবং চিকিৎসা সহায়তার কাজে ব্যবহৃত হতো। ২০২৪ সালের শেষ দিকে এগুলোর প্রস্তুতি শুরু হয় এবং ২০২৫ সালের মধ্যে তা সক্রিয় হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, United States Central Command (CENTCOM) বিষয়টি সম্পর্কে আগে থেকেই অবগত ছিল, তবে ইরাক সরকারকে জানানো হয়নি।
ইরাকি সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, মরুভূমিতে বিদেশি উপস্থিতির সন্দেহ আগে থেকেই ছিল, তবে নিশ্চিত প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। সংসদ সদস্যরা ঘটনাটিকে ইরাকের সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে এখনো Israel বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।