
তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে স্মার্টফোন ছাড়া দৈনন্দিন জীবন প্রায় অচল। আর স্মার্টফোন সচল রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ইন্টারনেট ডেটা বা এমবি। তবে অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন, চড়া দামে ডেটা প্যাক কিনলেও অজান্তেই দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ ও অপ্রয়োজনীয় সেটিংসের কারণে অতিরিক্ত ডেটা খরচ হয়। কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করলে মাসজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
অজান্তেই সবচেয়ে বেশি ডেটা খরচ হয় অ্যাপ আপডেট ও ভিডিও অটো-প্লের মাধ্যমে।
করণীয়:
অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস—দুই ধরনের ফোনেই ডেটা সেভার ফিচার রয়েছে, যা ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা ব্যবহার সীমিত করে।
করণীয়:
অনেক অ্যাপ ব্যবহার না করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা খরচ করে।
করণীয়:
ফেসবুক, মেসেঞ্জার ও ইনস্টাগ্রামের মতো অ্যাপগুলোর লাইট ভার্সন কম ডেটা ব্যবহার করে।
সুবিধা:
গুগল ম্যাপ, ইউটিউব মিউজিক বা স্পটিফাইয়ের মতো অ্যাপ নিয়মিত স্ট্রিমিংয়ে অনেক ডেটা খরচ করে।
করণীয়:
সপ্তাহে অন্তত একবার ফোনের Data Usage চেক করা উচিত। এতে কোন অ্যাপ বেশি ডেটা খরচ করছে তা জানা যায় এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কৌশলগুলো অনুসরণ করলে মাসিক ইন্টারনেট খরচ প্রায় ৩০–৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব।