1. adm3ijmpg@example.com : adm3ijmpg :
  2. adm53gqu5@example.com : adm53gqu5 :
  3. admg4o2lv@example.com : admg4o2lv :
  4. admiztuem@example.com : admiztuem :
  5. info@www.media71bd.com : NEWS TV : NEWS TV
  6. info@www.media71bd.com : TV :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন

তাইওয়ান ইস্যুতে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনা, সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • Update Time : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump জানিয়েছেন, চীন সফরের সময় তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট Xi Jinping-এর সঙ্গে তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে খুব শিগগিরই একটি সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

বেইজিং সফর শেষে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, তিনি এবং শি জিনপিং তাইওয়ান ইস্যুতে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন। তবে এই বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি কোনো সংঘাতের আশঙ্কা দেখছেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্প আরও বলেন, তাইওয়ান প্রসঙ্গে তিনি চীনের প্রেসিডেন্টকে কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি। একই সঙ্গে চীন ভবিষ্যতে তাইওয়ানে সামরিক হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সামরিক সহায়তা দেবে কি না— এমন প্রশ্নেরও স্পষ্ট উত্তর এড়িয়ে যান তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “এই প্রশ্নের উত্তর শুধু একজনই জানেন, আর তিনি আমি নিজেই। প্রেসিডেন্ট শি আজ আমাকে বিষয়টি জিজ্ঞেস করেছিলেন। আমি তাকে বলেছি, এ নিয়ে এখন কিছু বলছি না।”

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের ‘কৌশলগত অস্পষ্টতা’ নীতিরই প্রতিফলন দেখা গেছে। এই নীতির মাধ্যমে ওয়াশিংটন একদিকে চীনকে সামরিক পদক্ষেপ থেকে নিরুৎসাহিত করতে চায়, অন্যদিকে তাইওয়ানকেও একতরফাভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া থেকে বিরত রাখতে চায়।

তাইওয়ান ইস্যু যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্কের অন্যতম স্পর্শকাতর বিষয়। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের হুঁশিয়ারিও দিয়ে আসছে। বেইজিং বরাবরই তাইওয়ানে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির বিরোধিতা করে এটিকে চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখে।

অন্যদিকে, আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানের প্রধান আন্তর্জাতিক সমর্থক এবং সবচেয়ে বড় অস্ত্র সরবরাহকারী। মার্কিন আইনে তাইওয়ানকে আত্মরক্ষার সক্ষমতা ধরে রাখতে সহায়তা করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আলোচনা এমন এক সময়ে হয়েছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়েছে। ফলে তাইওয়ান এখন দুই পরাশক্তির ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

এদিকে তাইপেইও পুরো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সহায়তা তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটনের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত শুধু যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কেই নয়, পুরো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

More News Of This Category

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!