
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার না করায় কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার (ব্রডকাস্টিং) লাইসেন্স বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কোনো প্রমাণ ছাড়াই এসব গণমাধ্যমকে নির্বাচন কারচুপির ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগও করেছেন তিনি।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাইম-টাইমে দেওয়া ট্রাম্পের বক্তব্য সরাসরি সম্প্রচার করতে কয়েকটি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক অস্বীকৃতি জানানোর পর তিনি এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
এক বিবৃতিতে ট্রাম্প মার্কিন গণমাধ্যম এবিসি ও এনবিসি-এর নাম উল্লেখ করে বলেন, এসব চ্যানেল এবং গণমাধ্যমের আরও কিছু অংশ একটি বড় ষড়যন্ত্রের অংশীদার। তার দাবি, এ ধরনের আচরণের জন্য তাদের সম্প্রচার লাইসেন্স বাতিল করা উচিত।
ট্রাম্প আরও বলেন, “তারা কোনো অর্থ পরিশোধ না করেই মার্কিন জনগণের শত শত কোটি ডলার মূল্যের আকাশতরঙ্গ (এয়ারওয়েভস) ব্যবহার করছে।”
২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে কারচুপির অভিযোগ করে আসছেন। তবে তার করা ৬০টিরও বেশি মামলা মার্কিন আদালত খারিজ করে দিয়েছে।
এছাড়া একাধিক ভোট পুনর্গণনা, নিরীক্ষা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের সময়কার বিচার বিভাগও নির্বাচনে কোনো পদ্ধতিগত জালিয়াতির প্রমাণ পায়নি।
এদিকে ট্রাম্পের এ মন্তব্যকে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম বিশ্লেষকরা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর চাপ সৃষ্টির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, সম্প্রচার লাইসেন্স বাতিলের এমন দাবি স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য উদ্বেগের বিষয়।