1. info@www.media71bd.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.media71bd.com : TV :
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি তেলের বড় চালান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

দেশে চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে বড় স্বস্তির খবর এসেছে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে। বন্দরের বহির্নোঙরে একদিনে এক লাখ টনের বেশি ডিজেল ও অকটেনবাহী চারটি অয়েল ট্যাঙ্কার ভিড়ছে, যা সংকট শুরুর পর একদিনে সর্বোচ্চ জ্বালানি সরবরাহ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) এই চারটি অয়েল ট্যাঙ্কারের আগমনের শিডিউল ছিল। এর মধ্যে ইতোমধ্যে দুটি ট্যাঙ্কার বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে, আর বাকি দুটি রাতের মধ্যে ভিড়বে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৯ হাজার টন ডিজেল নিয়ে তিনটি ট্যাঙ্কার ভিড়বে। পাশাপাশি ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে আরও একটি ট্যাঙ্কার বহির্নোঙরে নোঙর করবে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট শুরুর পর এই চার ট্যাঙ্কারে করে বড় আকারের জ্বালানি চালান দেশে পৌঁছাচ্ছে।

চারটি ট্যাঙ্কারের স্থানীয় এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে প্রাইড শিপিং লাইনস। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৩৫ হাজার টন ডিজেল নিয়ে এমটি ‘ওকট্রি’ নামের ট্যাঙ্কারটি দুপুর ১২টার দিকে বহির্নোঙরে পৌঁছায়। এরপর ভারত থেকে ৪১ হাজার টন ডিজেল বহনকারী ‘লিয়ান সং হু’ নামের আরেকটি ট্যাঙ্কারও সেখানে এসে পৌঁছেছে।

এছাড়া মালয়েশিয়া থেকে ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে এমটি ‘নেভ সিয়েলো’ নামের একটি ট্যাঙ্কার রাত ৮টা থেকে ১১টার মধ্যে বহির্নোঙরে ভিড়বে। একইদিন রাত ১১টার দিকে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৩৩ হাজার টন ডিজেল নিয়ে এমটি ‘কেপ বনি’ নামের আরও একটি ট্যাঙ্কার আসার কথা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ট্যাঙ্কারগুলো আকারে বড় হওয়ায় প্রথমে বহির্নোঙরেই আংশিক জ্বালানি খালাস করা হবে। এরপর ট্যাঙ্কারের ড্রাফট কমে এলে সেগুলোকে বিশেষায়িত ডলফিন অয়েল জেটিতে নিয়ে বাকি জ্বালানি খালাস করা হবে। পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দুই-এক দিন সময় লাগতে পারে।

প্রাইড শিপিংয়ের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, “চারটি ট্যাঙ্কারই বড় আকারের হওয়ায় একসঙ্গে সম্পূর্ণ খালাস সম্ভব নয়। তাই প্রথমে বহির্নোঙরে কিছু অংশ খালাস করা হবে, পরে জেটিতে এনে বাকি জ্বালানি খালাস করা হবে।”

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতিদিন ডিজেলের চাহিদা ১২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টনের বেশি, আর অকটেনের চাহিদা প্রায় ১ হাজার ২০০ টন। নতুন এই চারটি ট্যাঙ্কার থেকে জ্বালানি খালাস সম্পন্ন হলে দেশের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বড় চালান দেশে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে এবং সাময়িক সংকট অনেকটাই কমে আসবে। বিশেষ করে পরিবহন ও শিল্প খাতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

More News Of This Category

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!