
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর বাজারে বনফুল অ্যান্ড কোম্পানির একটি শাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ জুন) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ‘আপা’ ডাকার পর ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে—এমন শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
তবে এ অভিযোগকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) উপজেলা সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনমুন নাহার আশা।
তিনি জানান, বনফুলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি আগেও প্রতিষ্ঠানটিকে সতর্ক করেছিলেন। পরে ক্রেতা সেজে গিয়ে তিনি দেখেন দোকানে পুরনো ও বাসি মিষ্টি বিক্রি করা হচ্ছে। মিষ্টির বয়স জানতে চাইলে কর্মচারীরা ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দেন এবং প্রথমে চালানপত্র দেখাতেও অনীহা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, পরে চালানপত্র দেখানো হলে এক কর্মচারী স্বীকার করেন যে পুরনো মিষ্টির সঙ্গে নতুন মিষ্টি মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল। এ সময় ম্যানেজারকে ডাকা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী পালিয়ে যান এবং পরে তাকে খুঁজে এনে আনা হয়।
ইউএনও মুনমুন নাহার আশা বলেন, ওই কর্মচারী তাকে ‘আপা’ বলে সম্বোধন করে ক্ষমা চান। তবে জরিমানা করা হয়েছে শুধুমাত্র বাসি মিষ্টি বিক্রির অভিযোগের ভিত্তিতে, ‘আপা’ ডাকার কারণে নয়। জরিমানার অর্থ পরবর্তীতে ম্যানেজার পরিশোধ করেন এবং তা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু গণমাধ্যম ঘটনাটিকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে ‘আপা’ শব্দকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে, যা বিভ্রান্তি ও ভাইরাল পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
এদিকে বনফুল অ্যান্ড কোম্পানির তাজপুর শাখার ম্যানেজার সুহেল বড়ুয়া জানান, জরিমানা ‘আপা’ ডাকার কারণে নয়, বরং বাসি মিষ্টি বিক্রির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় জরিমানা করা হয়েছে। ঘটনাটি মূলত একটি ভুল বোঝাবুঝি ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
I’m curious to find out what blog platform you happen to be utilizing? I’m having some minor security problems with my latest blog and I would like to find something more secure. Do you have any suggestions?