
‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’ এবং ‘৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা কর, স্কপের ৯ দফা মেনে নাও’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে শ্রমিক জোট জেএসজে (বাজাফে-৬)-এর থানা কমিটির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় কামরাঙ্গীরচরের কুড়ার ঘাট এলাকার তাকওয়া কমিউনিটি সেন্টারে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ। প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সুলতানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাজি মো. মনির হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শ্রমিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ, সহসভাপতি ও মাদারল্যান্ড গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সভাপতি সালেহা ইসলাম শান্তনা, গণফোরাম মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিবুর রহমান বুলু, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইমন ইসলাম (রুবেল) এবং গণফোরাম মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতি মমিনুল হক মমিন।

এ ছাড়া বাংলাদেশ জনতা পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মিঠুন চৌধুরী, বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি মো. আব্দুল খালেক, বাংলাদেশ জনরাষ্ট্র আন্দোলনের সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ মঙ্গু এবং পিপলস পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মো. আব্দুল কাদেরসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ও শ্রমিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জাকিয়া সুলতানা ইতি ও আক্তারুজ্জামান বাদল।

সম্মেলনে কামরাঙ্গীরচর থানা কমিটি এবং এর অধীন ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটিগুলো অনুমোদন করা হয়।
বক্তারা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগঠনের কার্যক্রম আরও জোরদারের আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। এ সময় ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ ও জাঁকজমকপূর্ণ সম্মেলন আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।
সম্মেলনে উপস্থিত শিল্পী ও সংগঠনের সদস্যদের পক্ষ থেকে গান পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, সভাপতি ও অন্যান্য অতিথিরা শ্রমিকদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি এবং সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে বক্তব্য দেন।