
রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে পুলিশের একটি বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে। শিগগিরই নবগঠিত এই ইউনিট দেশব্যাপী অভিযান শুরু করবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ সদরদপ্তরে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য প্রদানকারীদের জন্য সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। তথ্যদাতাদের পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
তিনি বলেন, পিস্তল, রিভলবার বা শটগান উদ্ধারে তথ্য দিয়ে সহায়তা করলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। এছাড়া সাউন্ড গ্রেনেড, লুণ্ঠিত টিয়ারগ্যাস শেল ও অন্যান্য লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে তথ্যের ক্ষেত্রে ক্ষেত্রবিশেষে ১০ হাজার, ১৫ হাজার ও ২০ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন এবং পুলিশ বাহিনীকে জনবান্ধব ও জনপ্রত্যাশিত সংস্থায় পরিণত করতে নিয়মিত কৌশলগত পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাতিলকৃত অস্ত্রের লাইসেন্স জমা না দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট অস্ত্রগুলোকে অবৈধ হিসেবে গণ্য করে মামলা করা হয়েছে। এসব অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সারাদেশে মাদক, চোরাচালান ও চাঁদাবাজি রোধে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সহায়তায় বিশেষ কৌশলগত অভিযান চলছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।