1. info@www.media71bd.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.media71bd.com : TV :
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৩:৩১ অপরাহ্ন

২৪ দিনের মধ্যে টিকার বড় মজুত সংগ্রহ, দেশে কোনো ঘাটতি নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

মাত্র ২৪ দিনের মধ্যে দেশের জন্য সব ধরনের টিকার বড় মজুত সংগ্রহ করা হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, এটি একটি রেকর্ড। বর্তমানে দেশে টিকার কোনো ঘাটতি নেই এবং ভবিষ্যতেও ঘাটতির আশঙ্কা নেই।

বুধবার (৬ মে) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে ইউনিসেফের মাধ্যমে আসা হাম-রুবেলা টিকার চালান গ্রহণ শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সর্বশেষ চালানে ১৫ লাখ ডোজ টিকা একসঙ্গে দেশে এসেছে। পাশাপাশি ৯ হাজার ডোজ টিডি-টিটাস সিরিজের টিকাও গ্রহণ করা হয়েছে। এ কার্যক্রম এখন নিয়মিতভাবে চলবে এবং প্রতি সপ্তাহে নতুন টিকার চালান দেশে আসবে।

তিনি আরও জানান, আগামী ১০ মে এক কোটি ৮ লাখ ডোজ এমআর, টিডি, বিসিজি, ওপিভি ও পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা দেশে পৌঁছাবে এবং তা জাতীয় সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করে একটি শক্তিশালী বাফার স্টক গড়ে তোলা হবে।

মন্ত্রী বলেন, “এই মুহূর্তে আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, দেশে টিকার কোনো সংকট নেই এবং ভবিষ্যতেও ঘাটতির কোনো সম্ভাবনা নেই।”

তিনি এ জন্য ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গ্যাভি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, চলমান টিকাদান কর্মসূচিতে ইতোমধ্যে ৯৩ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শতভাগ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

হাম প্রতিরোধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, টিকা দেওয়ার পর শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে রোগ নিয়ন্ত্রণ না হলেও পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি জানান, সম্ভাব্য রোগী বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে হাসপাতালগুলোতে শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঢাকায় একটি বড় অডিটোরিয়ামকে অস্থায়ী হাসপাতাল হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত মোবাইল হাসপাতাল স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও প্রস্তুত রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, অতীতে টিকা সংকটের অন্যতম কারণ ছিল পর্যাপ্ত মজুত না থাকা এবং নিয়মিত ক্যাম্পেইনের অভাব। তবে বর্তমান সরকারের উদ্যোগ ও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

তিনি গণমাধ্যমের ভূমিকাকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সাংবাদিকদের প্রচারের ফলে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং টিকাদান কার্যক্রম সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।

More News Of This Category

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!