
কোক স্টুডিও বাংলার সংগীতের আবহ ছড়িয়ে দিতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কোক স্টুডিও বাংলা অন ক্যাম্পাস’ শীর্ষক আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতা শুরু করেছে কোকা-কোলা বাংলাদেশ। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ক্যাম্পাসে বিশেষ কোক স্টুডিও বাংলা কনসার্ট আয়োজনের সুযোগ পাবেন।
গত ২৬ অক্টোবর শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতা চলবে ১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। দেশের ১৫টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। প্রতিযোগিতার প্রথম আয়োজন শুরু হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি) থেকে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও এ কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ক্যাম্পাসের ক্যান্টিন থেকে কোকা-কোলার যেকোনো পণ্য কিনলে একটি স্ক্র্যাচ কার্ড দেওয়া হবে। কার্ডে থাকা স্বতন্ত্র কোড ক্যাম্পেইনের ওয়েবসাইটে ব্যবহার করে নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ভোট দিতে পারবেন তাঁরা। প্রতিযোগিতার ভোটের অগ্রগতি দেখতে থাকবে একটি সরাসরি হালনাগাদ লিডারবোর্ড।
সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজন করা হবে কোক স্টুডিও বাংলার বিশেষ কনসার্ট। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দের ক্যাম্পাসে সংগীতভিত্তিক আয়োজন উপভোগ করার সুযোগ পাবেন।
ভোটাভুটির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সংগীত প্রতিভা তুলে ধরতে থাকছে ‘ফাইন্ড দ্য নেক্সট ক্যাম্পাস পারফরমার’ আয়োজন। এর আওতায় শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ ক্যাম্পাসে স্থাপিত কোক স্টুডিও বাংলার বিশেষ রেকর্ডিং কিয়স্কে গিয়ে এ প্ল্যাটফর্মের যেকোনো গানের কভার পরিবেশনা রেকর্ড করতে পারবেন।
রেকর্ড করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে কোক স্টুডিও বাংলাকে ট্যাগ করতে হবে। এরপর ক্যাম্পেইনের ওয়েবসাইটে ভিডিওর লিংক জমা দিতে হবে। বিজয়ী প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্বাচিত সেরা পরিবেশনা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সর্বোচ্চ সম্পৃক্ততা অর্জনকারী শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাস কনসার্টে গান গাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
কোকা-কোলা বাংলাদেশ লিমিটেডের মার্কেটিং ডিরেক্টর লায়লা ফারজানা বলেন, সংগীতের মাধ্যমে মানুষকে একত্রিত করা এবং নতুন প্রতিভাকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে কোক স্টুডিও বাংলা সবসময় ভূমিকা রেখে এসেছে। ‘কোক স্টুডিও বাংলা অন ক্যাম্পাস’ উদ্যোগের মাধ্যমে সেই অভিজ্ঞতা তরুণদের আরও কাছে নিয়ে যেতে চান তাঁরা।
তিনি আরও বলেন, নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে বন্ধুদের নিয়ে ভোটের প্রচার চালানো থেকে শুরু করে রেকর্ডিং বুথে সংগীত পরিবেশনা—সব মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অংশগ্রহণমূলক অভিজ্ঞতা তৈরি করাই এ আয়োজনের লক্ষ্য। শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতাটিকে আপন করে নেবেন এবং ক্যাম্পাসজুড়ে স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।