ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন পাওয়া ৩৬ জন প্রার্থীর সবার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা এ ঘোষণা দেন। এর ফলে বিএনপির জমা দেওয়া সব প্রার্থীই প্রাথমিক যাচাইয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন।
বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন— সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা এবং রেজেকা সুলতানা।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিন ছিল বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল)। যাচাই শেষে যেসব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হয়েছে, তারা এখন পরবর্তী ধাপের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবেন।
তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো প্রার্থী আপত্তি থাকলে আগামী ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করা যাবে। এসব আপিলের নিষ্পত্তি করা হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল।
এছাড়া প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ এপ্রিল। পরদিন ৩০ এপ্রিল প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। সব প্রক্রিয়া শেষে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে (তফসিল অনুযায়ী নির্ধারিত তারিখ)।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় পরবর্তী ধাপগুলোও সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে যাবে। সংরক্ষিত নারী আসনের এই নির্বাচন জাতীয় সংসদের কাঠামো পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়