শিবির নেতা জিসান আহমেদ বহিষ্কার: প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত:
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক এসএম ফরহাদ জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে প্রেমের সম্পর্ক প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী সংগঠনের নেতা জিসান আহমেদকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুর ২টার দিকে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পোস্টে তিনি জিসান আহমেদের ঘটনা ও পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে তিনটি মূল বিষয় তুলে ধরেন।
প্রথমত, এসএম ফরহাদ দাবি করেন, গতরাতে পুলিশ জিসানকে উদ্ধার করার পর থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ছাত্রশিবিরের কোনো প্রতিনিধি দল বা তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার দেখা বা কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। ফলে নিখোঁজ বা অপহরণ সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের কাছে পুলিশ ছাড়া অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দ্বিতীয়ত, মামলার বাদী লিজা আক্তারের বড় বোনের বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি জানান, গতকাল বিকেলে ১৫–২০ জন পুলিশ বা প্রশাসনের সদস্য লিজাকে বাড়ি থেকে নিয়ে যান। এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে যেতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়। পরে লিজা ও তার বাবাকে পুলিশের জিম্মায় পৃথকভাবে রাখা হয়েছে এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলেও দাবি করা হয়। তবে ওই পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জিসান ও লিজার মধ্যে প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি তারা আগে থেকেই জানতেন।
তৃতীয়ত, এসএম ফরহাদ বলেন, সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ না থাকায় ঘটনার পূর্ণ বাস্তবতা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সংগঠনের নীতিমালা অনুযায়ী জিসান আহমেদকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো অপরাধ প্রমাণিত হলে ভুক্তভোগীকে আইনগত সহায়তা দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।