শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য Shakib Al Hasan–সহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ জুলাই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
বুধবার (২০ মে) নির্ধারিত তারিখে প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত নতুন এই দিন ধার্য করেন। আদালতে দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সময় বাড়ানো হয়েছে Anti-Corruption Commission Bangladesh (দুদক)-এর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা বিভিন্ন বিও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে সিরিজ ট্রানজেকশন ও প্রতারণামূলক ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বৃদ্ধি করেন। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ প্রক্রিয়ায় প্রায় ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে বলা হয়েছে, মূল অভিযুক্ত আবুল খায়ের (হিরু) তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের সহযোগিতায় প্রায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকার উৎস গোপন করে বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করেন। এছাড়া তার নামে পরিচালিত একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৫৪২ কোটি টাকার বেশি সন্দেহজনক লেনদেন পাওয়া গেছে।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, শেয়ার কারসাজির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেছিলেন সাকিব আল হাসান। এতে তিনি পরোক্ষভাবে বাজার কারসাজিতে সহায়তা করেছেন এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রায় ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলায় মোট ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। আদালত আগামী ২৭ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন। ওই দিন প্রতিবেদন জমা হলে মামলার পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে।
©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়