Tamil Nadu বিধানসভা নির্বাচনে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হলেও এখনই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারছেন না Vijay। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত না হওয়ায় শপথ অনুষ্ঠান স্থগিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) শপথ নেওয়ার কথা থাকলেও রাজ্যপাল Rajendra Vishwanath Arlekar এখনো নিশ্চিত নন যে, বিজয়ের দল Tamilaga Vettri Kazhagam (টিভিকে) সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন পেয়েছে কি না।
রাজভবন সূত্রে জানা গেছে, ২৩৪ সদস্যের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮ বিধায়কের সমর্থন। নির্বাচনে টিভিকে পেয়েছে ১০৮টি আসন। পরে Indian National Congress তাদের ৫ বিধায়কের সমর্থনের ঘোষণা দিলে বিজয়ের জোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১২-তে।
এখনও সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য অন্তত আরও ৬ জন বিধায়কের সমর্থন প্রয়োজন টিভিকের। এ কারণে নির্দলীয় সদস্য ও ছোট দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বিজয়ের দল।
রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন রয়েছে, বাম দলগুলোর ৪ বিধায়কের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে Communist Party of India এবং Communist Party of India (Marxist) এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ৮ মে পর্যন্ত সময় চেয়েছে।
এদিকে All India Anna Dravida Munnetra Kazhagam (এআইএডিএমকে)-এর অন্তত ৩০ জন বিধায়ক বিজয়কে সমর্থন দিতে পারেন বলেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। এমনটি হলে সরকার গঠন অনেক সহজ হয়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
কংগ্রেস জানিয়েছে, Bharatiya Janata Party-কে ঠেকিয়ে ধর্মনিরপেক্ষ সরকার গঠনের লক্ষ্যেই তারা বিজয়কে সমর্থন দিচ্ছে। তবে সংবিধানবিরোধী বা সাম্প্রদায়িক শক্তিকে জোটে না রাখার শর্তও দিয়েছে দলটি।
অন্যদিকে কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে Dravida Munnetra Kazhagam (ডিএমকে)। দলটির অভিযোগ, এই সমর্থনের মাধ্যমে ‘ইন্ডিয়া’ জোটে বিভক্তি তৈরি হয়েছে।
ডিএমকে মুখপাত্র Saravanan Annadurai দাবি করেন, মন্ত্রিসভায় কিছু পদ পাওয়ার আশায় কংগ্রেস নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল করছে। একই সঙ্গে বিজেপিও এই ঘটনাকে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের ভাঙনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে।
উল্লেখ্য, নির্বাচনে পরাজয়ের পর বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী M. K. Stalin ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। ফলে এখন তামিলনাড়ুতে নতুন সরকার গঠনের অপেক্ষা চলছে।
©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়