Sundarbans-এর বিভিন্ন নদী ও খালে মাছ ও কাঁকড়া শিকারের সময় ২২ জন জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, আলিম ওরফে আলিফ বাহিনী এবং নানাভাই বাহিনীর সদস্যরা এ ঘটনায় জড়িত।
রোববার (৩ এপ্রিল) সকাল থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত Sundarbans-এর সাতক্ষীরা রেঞ্জের চুনকুড়ি, মালঞ্চ নদীর আগা, চালতেবেড়ে, মাইটভাঙা ও পশুরতলা খাল এলাকায় এ অপহরণের ঘটনা ঘটে। এতে বনজীবীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
অপহৃতদের মধ্যে পাঁচজনকে মারধরের পর মুক্তিপণের শর্তে ছেড়ে দেওয়া হলেও এখনো ১৭ জন জিম্মি অবস্থায় রয়েছে বলে জানা গেছে। তারা সবাই Shyamnagar Upazila-এর মুন্সিগঞ্জ, রমজাননগর ও ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকদিন আগে কদমতলা ও কৈখালী স্টেশন থেকে অনুমতিপত্র (পাস) নিয়ে এসব জেলে সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। পরে বিচ্ছিন্নভাবে মাছ ও কাঁকড়া ধরার সময় অস্ত্রের মুখে তাদের অপহরণ করা হয়।
অপহৃতদের পরিবারের দাবি, দস্যুরা ইতোমধ্যে কয়েকজনের জন্য মুক্তিপণ দাবি করেছে। কারও জন্য ৩০ হাজার, কারও জন্য ১ লাখ এবং কারও জন্য ২৫ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্বজন জানান, এখনো সব জেলের বিষয়ে স্পষ্ট মুক্তিপণের বার্তা পাওয়া যায়নি, তবে দস্যুরা যোগাযোগের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে তারা আতঙ্কে রয়েছেন।
ফিরে আসা কয়েকজন জেলে জানিয়েছেন, লোকালয়ের কাছাকাছি এলাকায়ও দস্যুরা জেলেদের তুলে নিচ্ছে এবং মারধর করছে। এতে নদী-খালে মাছ ধরতে যাওয়া মানুষদের মধ্যে চরম ভীতি তৈরি হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের স্বজনদের অভিযোগ, একই বাহিনীর বিরুদ্ধে আগেও অপহরণ ও চাঁদাবাজির একাধিক অভিযোগ থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা আবারও সক্রিয় হয়েছে।
Bangladesh Forest Department-এর সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মশিউর রহমান জানান, বিষয়টি জানার পর কোস্টগার্ডকে অবহিত করা হয়েছে এবং দ্রুত অভিযান চালানোর প্রস্তুতি চলছে।
অন্যদিকে Shyamnagar Police Station-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এখনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং অপহৃতদের উদ্ধারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়