1. info@www.media71bd.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.media71bd.com : TV :
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন

পহেলা বৈশাখ জাতিসত্তা ও সংস্কৃতির প্রতীক: দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

মিডিয়া ডেস্ক
  • Update Time : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তা, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক—এ কথা উল্লেখ করে দেশবাসীসহ বিশ্বব্যাপী বাংলাভাষী মানুষকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, নতুন বছরের আগমন পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বাংলা ১৪৩২ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩-কে স্বাগত জানান।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৃষক তার ফসল উৎপাদনের সময় নির্ধারণ করেন, যা এই উৎসবের ঐতিহ্যগত গুরুত্বকে আরও দৃঢ় করে।

তিনি বলেন, বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পহেলা বৈশাখের মধ্য দিয়ে নতুন করে উজ্জীবিত হয়। বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্য তুলে ধরে এবং জাতীয় ঐক্যবোধকে সুদৃঢ় করে।

নববর্ষের তাৎপর্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা নববর্ষ নতুন প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে। প্রকৃতির নবজাগরণ এবং মানুষের অন্তরের আশাবাদ মিলেমিশে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে, যা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের অনুপ্রেরণা জোগায়।

বাণীতে তিনি দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দেড় দশকের শোষণ-শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকার জনগণের জীবনমান উন্নয়নে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিবসহ অন্যান্য ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচি।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বহুমতের সহাবস্থানকে সুদৃঢ় করবে।

বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিশ্ব যখন নানা সংকট ও সংঘাতে বিপর্যস্ত, তখন শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরও জরুরি হয়ে উঠেছে। নববর্ষের এই শুভক্ষণে সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিতে হবে। তিনি কামনা করেন, বাংলা নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

More News Of This Category

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু অনুমতি ছাড়া ব্যবহারযোগ্য নহে

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!