1. info@www.media71bd.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.media71bd.com : TV :
মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র: আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি, অগ্নিকাণ্ড ফুজাইরায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে Iran থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে United Arab Emirates-এ। সোমবার (৪ মে) রাতে চালানো এই হামলার পর ফুজাইরা অঞ্চলের একটি তেল স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও চারটি ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করেছে। তবে Fujairah মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, আকাশে একটি ড্রোন ধ্বংসের পর তার ধ্বংসাবশেষ পড়ে ফুজাইরা পেট্রোলিয়াম শিল্প এলাকায় আগুন ধরে যায়।

এই ঘটনাকে ‘বিশ্বাসঘাতকতামূলক’ আখ্যা দিয়ে আমিরাত পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। হামলার সময় দেশটির বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় বলে জানা গেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানায়, তারা ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রসহ ড্রোন হামলা মোকাবিলায় সক্রিয় রয়েছে।

পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে United States Embassy in the United Arab Emirates সতর্কতা জারি করে জানায়, আকাশপথে সম্ভাব্য হুমকি রয়েছে। জরুরি নয় এমন কর্মীদের ইতোমধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং নাগরিকদের ভ্রমণের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী Keir Starmer এই হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron আমিরাতের নিরাপত্তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ Strait of Hormuz পুনরায় উন্মুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

এছাড়া কানাডার প্রধানমন্ত্রী Mark Carney সংহতি প্রকাশ করেছেন। প্রতিবেশী Saudi ArabiaQatar-সহ বিভিন্ন দেশ এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সৌদি যুবরাজ Mohammed bin Salman এবং কাতারের আমির Tamim bin Hamad Al Thani টেলিফোনে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলে সংহতি প্রকাশ করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রভাব পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে ফুজাইরা ও জেবেল আলীর মতো গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও তেল স্থাপনাগুলো ঝুঁকির মুখে পড়লে তা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বর্তমানে আমিরাতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে।

More News Of This Category

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!