1. live@www.media71bd.com : Media 71 : Media 71
  2. info@www.media71bd.com : Media 71 :
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি, দৈনিক ৪৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমেছে প্রয়োজনে মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে, সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা ভাইরাল ভিডিও নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন এমপি গাজী নজরুল ইসলাম, ‘ওই নারী আমার দ্বিতীয় স্ত্রী’ রাঙামাটিতে উদ্ধার হওয়া ৪৭ হারানো মোবাইল ফোন ফিরিয়ে দিল জেলা পুলিশ খিলগাঁওয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের তিন নারীর মৃত্যু ময়মনসিংহে ট্রাকের নিচে চাপা অটোরিকশা, নিহত ৩ ‘হেডলাইন’ সিরিজে প্রশংসায় ভাসছেন সারিকা, বললেন—ভালো গল্প পেলেই নিয়মিত কাজ করব দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভে সংঘর্ষ: আইসিইউতে তরুণী, আহত শতাধিক; উত্তপ্ত ভারতের রাজনীতি

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: ভাঙা হচ্ছে সেই ভবন, স্মৃতি সংরক্ষণে নেই পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার এক বছর পর ভেঙে ফেলা হচ্ছে সেই ভবনটি, যেখানে আছড়ে পড়েছিল বিমানটি। তবে নিহত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের স্মৃতি কীভাবে সংরক্ষণ করা হবে—সে বিষয়ে এখনো কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

গত বছরের ২১ জুলাই দুপুর ১টা ১৮ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি এফ-৭ বিজিআই প্রশিক্ষণ বিমান স্কুল ক্যাম্পাসে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনায় ২৮ জন শিক্ষার্থী, তিনজন শিক্ষিকা, তিনজন অভিভাবক এবং প্রতিষ্ঠানের একজন পরিচালকসহ মোট ৩৫ জন নিহত হন। এছাড়া ১৭২ জন দগ্ধ হন।

দুর্ঘটনার পরদিন ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল কংক্রিটের ধ্বংসাবশেষ, শিশুদের বই-খাতা, আধপোড়া স্কুলব্যাগ ও পুড়ে যাওয়া আসবাবপত্র—যা সেই ভয়াবহ ট্র্যাজেডির নির্মম স্মৃতি বহন করছিল।

রোববার (২০ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, রাজউকের নির্দেশনায় ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। চারদিকে টিনের বেড়া দিয়ে এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে এবং ভবনের দ্বিতীয় তলা ভাঙার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল নুরুন নবী বলেন, রাজউকের নির্দেশনা অনুযায়ী ভবনটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “ভবনটি ভেঙে ফেলছি, তবে স্মৃতিটা ধরে রাখার জন্য কিছু একটা করার চেষ্টা করব। কিন্তু কীভাবে তা করা হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো পরিকল্পনা হয়নি।”

নিহত ও আহতদের পরিবারের কাছ থেকে স্মৃতি সংরক্ষণের বিষয়ে কোনো প্রস্তাব পেয়েছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ঘটনাটি আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তাই এ বিষয়ে এখনো কোনো পরিকল্পনা বা সুপারিশ নিয়ে কাজ করা হয়নি।”

অন্যদিকে, দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদের বাবা মো. রুবেল মিয়া সন্তানদের স্মৃতি সংরক্ষণের পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে তিনি কোনো স্মৃতিস্তম্ভ বা স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পক্ষে নন।

তিনি বলেন, “আমরা মুসলমান। এখানে কোনো স্মৃতিসৌধ নয়, বরং যদি একটি আধুনিক মসজিদ নির্মাণ করা হয়, তাহলে আমরা এসে নামাজ আদায় করতে পারব এবং আমাদের সন্তানদের জন্য দোয়া করতে পারব। এটাই আমাদের চাওয়া।”

উল্লেখ্য, দুর্ঘটনার প্রায় ২০ দিন পর অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা নয় দফা দাবিতে মানববন্ধন করলেও সেখানে নিহতদের স্মৃতি সংরক্ষণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© ২০২৬- প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট

You cannot copy content of this page