1. info@www.media71bd.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.media71bd.com : TV :
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১১ অপরাহ্ন

সব বিমানবন্দরে বসছে ‘অ্যান্টি-ড্রোন’ প্রযুক্তি, ঘোষণা হচ্ছে নো-ড্রোন জোন

ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের সব বিমানবন্দরে বিমান চলাচল আরও নিরাপদ করতে ‘অ্যান্টি-ড্রোন’ প্রযুক্তি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অনুমতিহীন কোনো ড্রোন শনাক্ত হলেই তা নিষ্ক্রিয় বা নামিয়ে ফেলা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে বিমানবন্দর এলাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নো-ড্রোন জোন’ ঘোষণা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ড্রোন ব্যবহারের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিমানবন্দর এলাকায় ড্রোন উড়ালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এমনকি গণমাধ্যমের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে বেবিচককে বিমানবন্দরের সীমানার বাইরে সতর্কীকরণ নোটিশ টানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কেন এই উদ্যোগ

গত ১৩ জানুয়ারি বিমান মন্ত্রণালয় থেকে বেবিচক চেয়ারম্যানকে পাঠানো এক চিঠিতে জানানো হয়, গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট চলাকালে অনুমতিহীন ড্রোন উড্ডয়ন মনিটর করতে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে (এপিবিএন) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়,
গত ১৯ ডিসেম্বর জাতীয় বীর শহীদ ওসমান হাদির মরদেহ গ্রহণের সময় তিনজন উপদেষ্টার উপস্থিতিতে কিছু ইলেকট্রনিক মিডিয়া অনুমতি ছাড়া ড্রোন উড়িয়ে ছবি ধারণ করে। ওই সময় বিমান চলাচল সচল থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।

চিঠিতে আরও বলা হয়, এর আগে ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় স্ক্রল ও বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিমানবন্দর এলাকায় ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

এতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, বিমানবন্দর ও এর আশপাশের এলাকা অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় এখানে ড্রোন উড্ডয়ন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং বেবিচক প্রণীত ‘ড্রোন নিবন্ধন ও উড্ডয়ন নীতিমালা-২০২০’ অনুযায়ী অনুমোদনহীন ড্রোন উড্ডয়ন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

নিরাপত্তা ঝুঁকি ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ড্রোনের সঙ্গে বিমানের সংঘর্ষ হলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এছাড়া রানওয়ে ও ট্যাক্সিওয়েতে অনাকাঙ্ক্ষিত বাধা সৃষ্টি এবং নাশকতার ঝুঁকিও রয়েছে। এসব ঝুঁকি এড়াতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের সব বিমানবন্দরকে নো-ড্রোন জোন ঘোষণা এবং আধুনিক প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

বেবিচকের বক্তব্য

বেবিচকের সদস্য (পরিচালন ও পরিকল্পনা) এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মেহবুব খান জানান, বিমানবন্দরের আশপাশ এলাকায় অনুমতিহীন ড্রোন উড্ডয়ন ঠেকাতে অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, অনুমতি ছাড়া বিমানবন্দরের আশপাশে কোনো ড্রোন ওড়ানো যাবে না।

এদিকে বিমান মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে আরও জানানো হয়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় ড্রোন শনাক্তকরণ ও নিষ্ক্রিয়করণের জন্য বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনায় বরাদ্দ সাপেক্ষে সরকারি ক্রয় আইন অনুসরণ করে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আধুনিক অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

More News Of This Category

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!