1. info@www.media71bd.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.media71bd.com : TV :
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৫ অপরাহ্ন

তিন পার্বত্য জেলার ১২ বিদ্যালয়ে ই-লার্নিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬

দেশের তিন পার্বত্য জেলার ১২টি বিদ্যালয়ে ই-লার্নিং কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পর্যায়ক্রমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় নির্বাচিত মোট ১৪৯টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনা থেকে ভার্চুয়ালি তিনটি প্রাথমিক ও নয়টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মতবিনিময় করেন প্রধান উপদেষ্টা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

আজ থেকে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ই-লার্নিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে সেগুলো হলো— রাঙামাটির রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়, কাপ্তাই আল-আমিন নূরীয়া দাখিল মাদ্রাসা, ফারুয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ইসলামাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়; খাগড়াছড়ির কমলছড়ি পাইলট হাই স্কুল, হাজাছড়ি জুনিয়র হাইস্কুল, মানিকছড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও পুজগাং মুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়; এবং বান্দরবানের বালাঘাটা আইডিয়াল স্কুল, হাজী ফিরোজা বেগম ওয়ামি একাডেমি, তিন্দু জুনিয়র হাই স্কুল ও বগামুখ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “সারা পৃথিবীতে ইন্টারনেট পৌঁছে গেলেও এতদিন পার্বত্য অঞ্চলে তা পৌঁছায়নি—এটি সরকারের ব্যর্থতা। এজন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। আজ ১২টি স্কুল দিয়ে শুরু হলো, অথচ এটি সাড়ে তিন হাজার স্কুলে পৌঁছানোর কথা। আমাদের খুব দ্রুত সেই লক্ষ্যে যেতে হবে।”

তিনি বলেন, দুর্গমতার কারণে অনেক ভালো শিক্ষক এখানে আসতে চান না। ইন্টারনেটভিত্তিক শিক্ষা চালু হলে শিক্ষকের অভাবে শিক্ষার মান আর ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে শিক্ষক পাঠদান করতে পারবেন। একইভাবে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও ইন্টারনেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, “আমরা সবাই এই দেশের নাগরিক। অন্য নাগরিকরা যে অধিকার পায়, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষও সে অধিকার পাবে। বঞ্চিত থাকার কোনো কারণ নেই।”

পরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি মতবিনিময় করেন তিনি। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ই-লার্নিং কার্যক্রম চালুর জন্য সরকার ও প্রধান উপদেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, “এই কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষায় পার্বত্য অঞ্চলে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। সরকার পার্বত্য অঞ্চলকে পিছিয়ে রাখতে চায় না; বরং সারা দেশ ও বিশ্বের সঙ্গে আরও সংযুক্ত করতে চায়।”

More News Of This Category

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!