আসন্ন গণভোটে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোটে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অবস্থান অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, জানিয়েছে প্রেস উইং। রোববার (১৮ জানুয়ারি) প্রকাশিত ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, সরকারের মূল দায়িত্ব শুধু নির্বাচনের আয়োজন নয়, বরং দেশের শাসনতান্ত্রিক সংকট ও জনঅনাস্থার মোকাবিলা করা এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত করা।
প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস গত ১৮ মাস ধরে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ ও তরুণদের সঙ্গে পরামর্শে যে সংস্কার প্রস্তাব তৈরি করেছেন, বর্তমান প্যাকেজ তারই ফল। তাই সংস্কারের পক্ষে অবস্থান না নেওয়া দায়িত্বহীনতা হিসেবে গণ্য হবে।
বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক উদাহরণ হিসেবে ব্রেক্সিট (যুক্তরাজ্য, ২০১৬), স্কটল্যান্ড (২০১৪), তুরস্ক (২০১৭) এবং কিরগিজস্তান ও ফ্রান্সের গণভোট উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে সরকারপ্রধানরা প্রকাশ্যে পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এতে কোনো অগণতান্ত্রিকতা ধরা হয়নি, বরং এটিকে রাজনৈতিক জবাবদিহিতার অংশ হিসেবে দেখা হয়েছে।
প্রেস উইং আরও জানায়, সরকারের প্রচারণার উদ্দেশ্য শুধুমাত্র সংস্কারের গুরুত্ব জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া। ভোটের ফলাফলের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো স্বার্থ জড়িত নয়। দ্বিধা ও নীরবতা এখন দেশের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার অবস্থান সরকারের ম্যান্ডেট, প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠন এবং ভোটারদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়