যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে লাভজনক করার লক্ষ্যে ১৪টি নতুন বোয়িং বিমান কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। একই সঙ্গে এয়ারবাস থেকে বিমান লিজ নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিমানের বহর সম্প্রসারণ ও সেবার মান উন্নয়নের জন্য ১৪টি বোয়িং কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এয়ারবাসের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আমরা একটি মিশ্র বহর (মিক্সড ফ্লিট) গঠনের পরিকল্পনা করছি।”
তিনি আরও জানান, স্বল্পমেয়াদে ২ থেকে ৩ মাসের জন্য কিছু বিমান লিজ নিয়ে ফ্লিট সম্প্রসারণ করে বিমানকে লাভজনক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের তৈরি করা খসড়া চুক্তি নিয়ে আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী জুন মাস থেকে জাপানের টোকিওতে সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি চলছে। প্রাথমিকভাবে স্লট নির্ধারণ করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে লাভজনক হলে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো হবে।
হজ ফ্লাইট প্রসঙ্গে তিনি জানান, হজযাত্রী পরিবহন কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলছে এবং আগামী ৩০ মে থেকে ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু হবে।
প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, গত দুই মাসে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কিছুটা লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছে। নতুন বিমান যুক্ত হলে এই প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়