1. adm3ijmpg@example.com : adm3ijmpg :
  2. adm53gqu5@example.com : adm53gqu5 :
  3. admg4o2lv@example.com : admg4o2lv :
  4. admiztuem@example.com : admiztuem :
  5. info@www.media71bd.com : NEWS TV : NEWS TV
  6. info@www.media71bd.com : TV :
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৬:৩২ অপরাহ্ন

উইলস লিটল ফ্লাওয়ারে শিক্ষক অপমানের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ, বিচারপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা দাবিতে বিক্ষোভ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষককে বাসায় ডেকে নিয়ে অপমান ও জোরপূর্বক ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার অভিযোগে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। রোববার (গতকাল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কাকরাইল ক্যাম্পাসের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

বিক্ষোভকারীরা দয়াল পালের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত বিচারপতি আলী রেজা, তার স্ত্রী ও সন্তানের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আহ্বান জানান তারা। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বলেন, একজন শিক্ষককে এভাবে অপমান করা পুরো শিক্ষাঙ্গনের জন্যই উদ্বেগজনক এবং এর সঠিক বিচার না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে।

ভুক্তভোগী শিক্ষক দয়াল পালের বক্তব্য অনুযায়ী, গত ১৫ এপ্রিল শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলাকালে এক শিক্ষার্থী একটি বিষয় বারবার বুঝতে ব্যর্থ হলে তিনি বিরক্ত হন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তিনি শিক্ষার্থীকে শাসন করেন। পরে ওই শিক্ষার্থী বাসায় গিয়ে ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে বলে অভিযোগ।

এরপর সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর বিচারপতি পিতা স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই না করেই স্কুলের প্রিন্সিপাল শিক্ষক দয়াল পালকে বিচারপতির বাসায় যেতে বলেন।

গত ১৮ এপ্রিল বিচারপতির বাসায় গেলে দয়াল পাল অপমানজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হন বলে দাবি করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে তাকে শিক্ষার্থীর সামনে জোরপূর্বক ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়, যা একজন শিক্ষকের মর্যাদার পরিপন্থী।

ঘটনাটি গত শুক্রবার প্রকাশ্যে এলে তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষাঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন মহলে এ ঘটনায় ক্ষোভ দেখা দেয়, বিশেষ করে শিক্ষক সমাজ এ ঘটনাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষকদের সম্মান রক্ষা করা জরুরি। তারা অভিযোগ করেন, কোনো অভিযোগ উঠলে সেটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে যথাযথভাবে তদন্ত করা উচিত ছিল, ব্যক্তিগতভাবে কাউকে ডেকে অপমান করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

শিক্ষকরা বলেন, এই ঘটনার মাধ্যমে শিক্ষকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও মর্যাদা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

সামগ্রিকভাবে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক, প্রশাসনিক ভূমিকা এবং পেশাগত সম্মান রক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাই।

More News Of This Category

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!