1. adm3ijmpg@example.com : adm3ijmpg :
  2. adm53gqu5@example.com : adm53gqu5 :
  3. admg4o2lv@example.com : admg4o2lv :
  4. admiztuem@example.com : admiztuem :
  5. dsdc.mostafiz@gmail.com : mostafiz rahman : mostafiz rahman
  6. info@www.media71bd.com : NEWS TV : NEWS TV
  7. admin@wordpress.com : root :
  8. info@www.media71bd.com : TV :
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন

মিরপুরে শিশুকে গলাকেটে হত্যা

এম আর রোমেল, বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের এক শিশুকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী সম্পাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় ডিএমপির মিরপুর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মোস্তাক সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়া প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে তার স্ত্রী সম্পাকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।

নিহত শিশুর নাম রামিসা আক্তার। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সকালে পল্লবী থানার একটি বাসা থেকে তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল তার পরিবার। কিন্তু হঠাৎ করেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ভবনের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন পরিবারের সদস্যরা।

এক পর্যায়ে ভবনের তৃতীয় তলায় রামিসাদের ফ্ল্যাটের বিপরীত পাশের একটি ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির ব্যবহৃত স্যান্ডেল দেখতে পান তারা। এরপর ওই ফ্ল্যাটের দরজা খুলতে বলা হলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা হলে একটি কক্ষের খাটের নিচে রামিসার মাথাবিহীন মরদেহ পাওয়া যায়।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার পর মরদেহ লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার আগে শিশুটি নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত সোহেল রানা বাসার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। পরে তাকে ধরতে অভিযান শুরু করে ঢাকা মহানগর পুলিশ। অবশেষে সন্ধ্যার দিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ বলছে, সোহেল ও তার স্ত্রী সম্পার বাসাতেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। সোহেল স্থানীয় একটি রিকশা গ্যারেজে কাজ করতেন। প্রতিবেশী হওয়ায় নিহত শিশুর পরিবারের সঙ্গে তাদের পরিচিতি ছিল।

ঘটনাস্থল থেকে প্রথমে স্বপ্না নামে এক নারীকে আটক করা হয়। পরে তদন্তের অগ্রগতিতে সোহেল রানাকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে শনাক্ত করে পুলিশ।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। প্রতিবেশী এক নারী জানান, “শুনলাম ছোট্ট বাচ্চাটিকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। এমন ঘটনা মেনে নেওয়া খুব কঠিন।”

আরেক স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, “প্রথমে মনে হয়েছিল ডাকাতি বা টাকার বিষয় হতে পারে। পরে বুঝলাম অন্য কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল। ঘটনার পর সে পালিয়ে যায়, পরে পুলিশ তাকে ধরে।”

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনের কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

More News Of This Category

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!