
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei-কে আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার জন্মস্থান মাশহাদে দাফন করা হবে। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এর আগে ইরাকের পবিত্র শহর Najaf-এ লাখো মানুষের সমাগম ঘটে।
১৯৩৯ সালে জন্ম নেওয়া খামেনিকে মাশহাদের Imam Reza Shrine মাজার কমপ্লেক্সে সমাহিত করা হবে। শিয়া মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র এই স্থানে Ali al-Ridha-এর সমাধি অবস্থিত। বিশ্লেষকদের মতে, ধর্মীয় নেতা হিসেবে তার মর্যাদার প্রতীক হিসেবেই সেখানে দাফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মাশহাদ ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবহুল শহর। প্রায় ৩০ লাখ মানুষের বসবাসের এই শহর শিয়া মুসলিমদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
Al Jazeera-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হওয়ার পর খামেনির মরদেহ নিয়ে ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর অংশ হিসেবে বুধবার মরদেহ ইরাকের নাজাফে নেওয়া হয়।
শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিপুল মানুষের সমাগম হওয়ায় ইরাক সরকার সেদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করে। ভোর থেকেই নাজাফের বিভিন্ন সড়কে মানুষের ঢল নামে। কফিনবাহী শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া অনেকের হাতে ছিল প্রয়াত নেতার প্রতিকৃতি এবং ইরান ও ইরাকের জাতীয় পতাকা। শোভাযাত্রায় রাজনৈতিক স্লোগানও শোনা যায়।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ পৌঁছালে সেখানে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী Ali al-Zaidi, দেশটির জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক ও ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ইরানের প্রেসিডেন্ট Masoud Pezeshkian এবং খামেনির বড় ছেলে Mostafa Hosseini Khameneiও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
তবে পুরো আয়োজনে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা Mojtaba Khamenei-কে দেখা যায়নি। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই হামলায় আহত হওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।