Iran–এর লাভান দ্বীপের তেল শোধনাগারসহ কয়েকটি কৌশলগত স্থাপনায় সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় United Arab Emirates–এর সংশ্লিষ্টতার দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম The Wall Street Journal (ডব্লিউএসজে)। এ তথ্য প্রকাশের পর মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
The Jerusalem Post–এর বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এপ্রিলের শুরুতে অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে এই হামলা পরিচালনা করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, আমিরাতের জ্বালানি ও বেসামরিক অবকাঠামোতে ইরানের ধারাবাহিক উস্কানির জবাব হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
তৎকালীন সময়ে হামলার দায় কেউ স্বীকার না করলেও, পরবর্তীতে ইরান আমিরাত ও Kuwait অভিমুখে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে চলমান যুদ্ধবিরতির আগে সংঘটিত ওই অভিযানে নিজেদের সম্পৃক্ততা নিয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি আমিরাত সরকার।
ডব্লিউএসজে আরও দাবি করেছে, Donald Trump প্রশাসন নীরবে আমিরাতের এই পদক্ষেপকে সমর্থন জানিয়েছিল। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে উপসাগরীয় দেশগুলোর আরও সক্রিয় ভূমিকা দেখতে চেয়েছিল United States।
বিশ্লেষকদের মতে, Israel–যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনার প্রভাবে আমিরাত অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত ক্ষতির মুখে পড়ে। বিশেষ করে Strait of Hormuz–এ জাহাজ চলাচল ও আকাশপথে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় বাণিজ্যে বড় প্রভাব পড়ে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নিজেদের আঞ্চলিক নিরাপত্তা সক্ষমতা জোরদারে আমিরাত বর্তমানে আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
জানা গেছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu এবং আমিরাতের প্রেসিডেন্ট Mohammed bin Zayed Al Nahyan–এর মধ্যে একাধিক উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এরই ধারাবাহিকতায় আমিরাতে উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতায় এ ধরনের গোপন সামরিক তৎপরতা অঞ্চলটির ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।
©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়