লোডশেডিং ও জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজারের পর্যটন খাতে চরম দুরবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতির কারণে অনেক হোটেল ও মোটেল তাদের সেবার মান সীমিত করতে বাধ্য হচ্ছে।
পর্যটন নগরী কক্সবাজারের প্রায় সব হোটেল-মোটেলেই একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। দিনের বেলায় স্বাভাবিক পরিবেশ থাকলেও রাতে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে অনেক জায়গায় তৈরি হচ্ছে অস্বাভাবিক ও অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিস্থিতি।
পর্যটকদের সেবা নিশ্চিত করতে অধিকাংশ হোটেল ও মোটেলে নিজস্ব জেনারেটরের ব্যবস্থা থাকলেও জ্বালানির ঘাটতির কারণে তা নিয়মিত চালানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে রুম সার্ভিস, সেন্ট্রাল এসি, আলোকসজ্জা, এমনকি লাইভ মিউজিকসহ বিভিন্ন সুবিধা সীমিত করে দেওয়া হয়েছে।
এ অবস্থায় পর্যটকরাও আগেভাগেই সতর্ক হচ্ছেন। হোটেল বুকিংয়ের আগে তারা জেনারেটর সুবিধা আছে কি না তা নিশ্চিত করে নিচ্ছেন।
একই সংকটের মুখে পড়েছেন কক্সবাজারের রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরাও। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অভাবে তাদের সেবাও ব্যাহত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কক্সবাজারে সাড়ে চার শতাধিক হোটেল ও মোটেলে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার লিটার জ্বালানির প্রয়োজন হয়। তবে লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় এই চাহিদা বর্তমানে প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।