ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে নির্বাচনি নিরাপত্তায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে আকাশপথের সক্ষমতা। স্থলবাহিনীর পাশাপাশি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সরাসরি মোতায়েন, হেলিকপ্টার ও পরিবহন বিমানের লজিস্টিক সহায়তা এবং ড্রোনভিত্তিক নজরদারির মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যুক্ত হয়েছে কৌশলগত ‘ফোর্স মাল্টিপ্লায়ার’ সক্ষমতা।
নির্বাচন উপলক্ষে বিমানবাহিনীর মোট ৩ হাজার ৭৩০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ২৫০ জন সেনাবাহিনীর সঙ্গে যৌথ স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। বাকি সদস্যরা স্ট্যান্ডবাই স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত থাকবেন। আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ২১ জেলার ৩৫ উপজেলায় তারা ‘মোবাইল রেসপন্স সিস্টেম’ হিসেবে কাজ করবেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এবারের নিরাপত্তা পরিকল্পনায় তিনটি ক্ষেত্রে বিমানবাহিনীর ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে রয়েছে দুর্গম ও উপকূলীয় এলাকায় দ্রুত জনবল ও সরঞ্জাম পৌঁছাতে লজিস্টিক সাপোর্ট, ড্রোনের মাধ্যমে আকাশ নজরদারি ও আগাম তথ্য সংগ্রহ এবং সহিংসতা বা জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক এয়ার সাপোর্ট প্রদান।
ঢাকা সেনানিবাসের বিএএফ ঘাঁটি বাশারে মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের ব্রিফিং দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বিত এই নিরাপত্তা কাঠামো নির্বাচনকালীন পরিবেশ শান্ত ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়