ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ বিধিমালা যথাযথভাবে প্রতিপালনের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে প্রার্থীদের ফেসবুক বুস্টিংসহ সব ধরনের ডিজিটাল প্রচারণার ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতার কথা জানিয়েছে কমিশন।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটি চিঠি সব রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৬ অনুযায়ী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো প্রার্থী, তার নির্বাচনী এজেন্ট বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন। তবে প্রচারণা শুরুর আগে প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট কিংবা সংশ্লিষ্ট দলকে ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল করতে হবে।
এছাড়া বিধিমালার ২২(২) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, দলীয় মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনসংক্রান্ত কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন প্রদান, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপসহ সব ধরনের প্রচার-প্রচারণায় যে ব্যয় হবে, তা সামগ্রিক নির্বাচনী ব্যয়ের অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করতে হবে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণায় হওয়া সব ব্যয় নির্বাচনী ব্যয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
এমতাবস্থায়, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ বিধিমালায় উল্লিখিত সব নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে কোন কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা ব্যবহার করছে—সে সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখায় পাঠানোর জন্য রিটার্নিং অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়