সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোটের আগেই জানা গেছে নতুন প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সম্ভাব্য অবস্থান। প্রাথমিকভাবে গণভবনের পশ্চিম-উত্তর পাশে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিসসংলগ্ন প্রায় ১৮ একর জমি চূড়ান্ত করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
ইতোমধ্যে স্থাপত্য অধিদফতর নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নকশা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গণপূর্ত অধিদফতর নির্মাণকাজ শুরু করবে। বাসভবন প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা অথবা সংসদ ভবনসংলগ্ন স্পিকারের বাসভবনে প্রধানমন্ত্রী অবস্থান করবেন—এটি নির্ভর করবে তাঁর পছন্দের ওপর।
গণপূর্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটির আলোচনায় তিনটি স্থান উঠে এলেও শেষ পর্যন্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাশের জায়গাটিই চূড়ান্ত করা হয়। প্রধান স্থপতি আসিফুর রহমান ভূঁইয়া জানান, তিনতলা মূল ভবনসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রয়োজনীয় সব সুবিধা নকশায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
গণপূর্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী ফিরোজ হাসান জানান, বহুতল না হওয়ায় দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যেই বাসভবন নির্মাণ সম্ভব।
উল্লেখ্য, গণঅভ্যুত্থানের পর গণভবনকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আইন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর জন্য একটি সরকারি বাসভবন থাকবে এবং এর রক্ষণাবেক্ষণের সব ব্যয় সরকার বহন করবে।
©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়