ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভারসাম্য রক্ষা এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য ১ হাজার ৫১ জন কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিভিন্ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স—বিশেষ করে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয়ে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য এসব কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
‘ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮’ (ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন আইন, ২০০৯ দ্বারা সংশোধিত) এর ১০(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তারা আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন অনুযায়ী তফসিলভুক্ত অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষমতা পাবেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য প্রশিক্ষণ, যোগদান ও দায়িত্ব পালনের বিষয়ে একাধিক নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের জেলাগুলোতে নিয়োগপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি (প্রথম ব্যাচ) সকাল ১০টায় এবং খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের জেলাগুলোতে নিয়োগপ্রাপ্তরা একই দিন (দ্বিতীয় ব্যাচ) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে জুম প্ল্যাটফর্মে আবশ্যিকভাবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নেবেন। সংশ্লিষ্ট জুম মিটিংয়ের আইডি ও পাসকোড সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মোবাইল ফোন ও ই-মেইলে পাঠানো হবে।
এছাড়া, নিয়োগপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা রিটার্নিং অফিসারের কাছে আবশ্যিকভাবে যোগদান বা রিপোর্ট করতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা রিটার্নিং অফিসারকে ওইদিন রাত ৮টার মধ্যে যোগদান সংক্রান্ত প্রতিবেদন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশনাও প্রজ্ঞাপনে দেওয়া হয়েছে।
©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও হুবহু ব্যবহারযোগ্য দণ্ডনীয়